শিরোনাম
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোয় সিন্ডিকেট থাকবে না: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কার্যক্রম চালুর দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের বিক্ষোভ চার দিনের সফরে সিলেটে আসছেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ফেসবুকে হত্যার হুমকির অভিযোগ সিলেট মহানগর বিএনপি নেতা কয়েস লোদীর সিলেটে আজও অতিভারি বৃষ্টির আভাস, তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ১১৫ দিন পর হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিল ‘বাংলার জয়যাত্রা’ সিলেটে ৩২ ঘন্টায় ৬৩ জন আ/টক সিলেটের ডিসির বদলি মাজার নয় ‘গোপন’ সিদ্ধান্ত থাকতে পারে: ডা. জাহেদ কবর থেকে সালমান শাহ’র মরদেহ উত্তোলনে নির্দেশ বাতিল বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদিরের সিলেট সফর স্থগিত

https://www.emjanews.com/

16612

international

প্রকাশিত

২৩ জুন ২০২৬ ২১:৫২

আন্তর্জাতিক

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ৩০ অভিবাসী আটক

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬ ২১:৫২

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) ও দেশটির অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় মন্ত্রণালয় (কেপিডিএন) যৌথভাবে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে ৩০ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সেলাঙ্গরের সেরি কেম্বাঙ্গানের ওয়ান সাউথ প্লাজা এলাকায় পরিচালিত ‘অপস লিটল মিডল ইস্ট’ নামের এ অভিযানে বিভিন্ন অভিবাসন আইনের লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়।

জেআইএম এক বিবৃতিতে জানায়, দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ইমিগ্রেশন বিভাগের স্পেশাল অ্যাকশন ব্রাঞ্চ ও এনফোর্সমেন্ট ডিভিশনের ৫৩ জন কর্মকর্তা এবং কেপিডিএনের পাঁচজন কর্মকর্তা অংশ নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ এবং এক সপ্তাহব্যাপী গোয়েন্দা তৎপরতার ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে ১৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়। এর মধ্যে রেস্তোরাঁ, খাদ্য কিয়স্ক, বিক্রয়কেন্দ্র এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত ছিল। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বৈধ অনুমতি ছাড়া বিদেশি কর্মী নিয়োগ ও আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ ছিল।

তদন্তের অংশ হিসেবে মোট ৬৪ জনের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এর মধ্যে ৩০ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে ইয়েমেন, সোমালিয়া, আফগানিস্তান, ঘানা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছেন। তাদের বয়স ২৬ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।

জেআইএম জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইন এবং ১৯৬৩ সালের ইমিগ্রেশন বিধিমালার বিভিন্ন ধারায় অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এসব অপরাধের মধ্যে নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান, বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকা এবং প্রদত্ত পাস বা ভিসার অপব্যবহার উল্লেখযোগ্য।

একই অভিযানে তদন্তে সহযোগিতার জন্য এক মালয়েশীয় নাগরিককে ফরম-২৯ সমন জারি করা হয়েছে। এছাড়া কেপিডিএন পরিদর্শনের সময় শনাক্ত হওয়া একটি অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিককে মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও মুনাফাবিরোধী আইন ২০১১-এর আওতায় ৩০০ রিঙ্গিত জরিমানা করেছে।

আটক সকল বিদেশি নাগরিককে পরবর্তী তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।

জেআইএম জানিয়েছে, অবৈধভাবে বসবাসকারী, অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানকারী কিংবা সরকারের প্রদত্ত পাস সুবিধার অপব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালানো হবে। পাশাপাশি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যেন অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয়, সুরক্ষা বা কর্মসংস্থান না দেয় সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

বিভাগটি আরও জানিয়েছে, অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ লঙ্ঘনকারী ব্যক্তি বা নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় ছাড়াই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।