শিরোনাম
সিলেটে রাত ৩টায় প্রকৌশলীর বাসায় ঢুকে বিএনপি নেতার চাঁদা দাবি! যাদুকাটা থেকে বালু উত্তোলনে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ ১৪৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সিলেট যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দুদকের অভিযান মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে, ১০ হাজার কর্মী যাবেন বিনা খরচে হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার আসামির মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ পরিবারের সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেলো মোটরসাইকেল আরোহীর দেড় মাস সিলেট নগরীর যে স্থানে চলাচলে মানতে হবে বিশেষ নির্দেশনা নতুন করে যাচাই হবে জুলাইযোদ্ধাদের তালিকা, বাদ পড়াদের আবেদনের সুযোগ জানা গেল সরকারি চাকুরিতে শূন্য পদের সংখ্যা

https://www.emjanews.com/

17061

surplus

প্রকাশিত

১২ জুলাই ২০২৬ ১৫:৩৫

অন্যান্য

ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগীদের জন্য ফল খাওয়ার সতর্কতা

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬ ১৫:৩৫

প্রকৃতিপ্রদত্ত ফলের পুষ্টিগুণ নিয়ে কারো মনেই কোনো দ্বিধা নেই। শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত ফল খাওয়ার বিকল্প নেই বললেই চলে। তবে বিপত্তি বাঁধে তখন, যখন সাধারণ এই খাবারই বিশেষ কিছু শারীরিক অবস্থায় হিতে বিপরীত হয়ে দাঁড়ায়। চিকিৎসকদের মতে, একজনের উপযোগী ফল অন্যজনের জন্য 'বিষ' কিংবা দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস, কিডনি সমস্যা কিংবা আইবিএস (পেটের রোগ) থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ফল খাওয়া বিপজ্জনক।

ডায়াবেটিস রোগীদের অনেকের ধারণা, ফলের মিষ্টি প্রাকৃতিক হওয়ায় তা ক্ষতিকর নয়। পুষ্টিবিদরা বলছেন এটি একটি ভুল ধারণা। ফলের চিনি বা 'ফ্রুক্টোজ' রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে আম, কাঁঠাল, পাকা কলা, লিচু, আতা ও খেজুরের মতো ফলে শর্করা ও গ্লাইসেমিক ইনডেক্স অনেক বেশি থাকে। এসব ফল খাওয়ার সাথে সাথে রক্তে সুগারের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে আপেল, পেয়ারা কিংবা জামরুলের মতো স্বল্প মিষ্টির ফল সীমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে। 

কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে ফল কালবৈশাখী ঝড়ের মতো ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। কিডনি দুর্বল হলে শরীর থেকে অতিরিক্ত পটাশিয়াম বের হতে পারে না। কলা, ডাবের পানি, কমলা ও কামরাঙাতে প্রচুর পটাশিয়াম থাকে, যা রক্তের ভারসাম্য নষ্ট করে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে কামরাঙার একটি বিশেষ টক্সিন কিডনি রোগীর মৃত্যুর কারণ হতে পারে। ল্যাব টেস্টের রিপোর্ট অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তবেই কিডনি রোগীদের ফল গ্রহণ করা উচিত।

পরিপাকতন্ত্রের সংবেদনশীল রোগ আইবিএস (IBS)-এ আক্রান্তদের জন্য আপেল, নাশপাতি কিংবা তরমুজের মতো শর্করা সমৃদ্ধ ফল (হাই-ফডম্যাপ) পেটে গ্যাস ও ব্যথার সৃষ্টি করে। এদের জন্য পাকা পেঁপে, পাকা কলা বা লেবুর রসজাতীয় 'লো-ফডম্যাপ' ফলগুলো নিরাপদ। মোদ্দা কথা হলো, সুস্থ থাকতে ফলের বিকল্প নেই—তবে তা হতে হবে শরীরের ধরন বুঝে পরিমিত মাত্রায়।