শিরোনাম
সিলেটে ৩ খু/ন: বাবুলকে ৪ দিনের রিমান্ডে নিলো পুলিশ সিলেটের পাহাড়-নদী চষে বেড়াচ্ছে বিজিবি: আড়াই কোটি টাকার চালান জব্দ সিলেটে যে ভাইরাসে হাসপাতালে রোগীর ভিড়: আরেক মৃ/ত্যু নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে ফের শঙ্কা শাহজালাল মাজারে এবার মিললো ‌৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা: সাথে ২ ভরি স্বর্ণ, বৈদেশিক মুদ্রা সিলেটে টানা পাঁচ দিন বৃষ্টির আভাস সিলেটে মেয়েকে ধ/র্ষণের অভিযোগ করায় বাবাকে হ/ত্যা, গ্রে/প্তার আসামির ছেলে সিলেটে মেয়েকে ধ/র্ষণের অভিযোগ করায় পুলিশের উপস্থিতিতেই বাবাকে কু/পিয়ে খু/ন সিলেটে ৩ খু/নের প্রকৃত অপরাধী চিহ্নিতের নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীর ট্রিপল মা-র্ডার: মেয়ে সেলিনা সুলতানার এজহার, বাবুল মিয়াকে আ/সামী করা হয়নি

https://www.emjanews.com/

17465

surplus

প্রকাশিত

০১ আগস্ট ২০২৬ ১৬:৩৬

অন্যান্য

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেতে বাংলাদেশীদের লাগবে ২০ হাজার ডলারের ‘বন্ড’

প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬ ১৬:৩৬

ব্যবসা বা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র যেতে আগ্রহীদের জন্য নতুন শর্ত আরোপ করেছে দেশটির সরকার। বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৫০টি দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে বি-১ (ব্যবসায়িক) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসা পেতে সর্বোচ্চ ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জামানত বা ‘ভিসা বন্ড’ জমা দিতে হতে পারে। পরীক্ষামূলকভাবে চালু থাকা এই কর্মসূচিকে স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। নতুন বিধিমালা আগামী ৩ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) অনলাইনে প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টারের এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, বি-১ ও বি-২ ভিসার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে কনস্যুলার কর্মকর্তারা প্রয়োজন মনে করলে ভিসা প্রদানের শর্ত হিসেবে জামানত জমা দিতে বলতে পারবেন। এই জামানতের পরিমাণ সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

এতে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের ভিসা বন্ড পাইলট কর্মসূচির মাধ্যমে পররাষ্ট্র দপ্তর, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা দপ্তর ও অর্থ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এই ব্যবস্থার কার্যকারিতা যাচাই করেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বন্ডভিত্তিক ভিসা পদ্ধতি ভিসাধারীদের নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

এর আগে পরীক্ষামূলক কর্মসূচির আওতায় ৫ হাজার, ১০ হাজার ও ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে নতুন নিয়মে ৫ হাজার ডলারের বিকল্প বাতিল করে সর্বোচ্চ সীমা বাড়িয়ে ২০ হাজার ডলার করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানান, অনেক ভিসাধারী নির্ধারিত সময় শেষে দেশটিতে অবস্থান অব্যাহত রাখেন। এই প্রবণতা কমাতে এবং ভিসার শর্ত মানা নিশ্চিত করতেই নতুন নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে অভিবাসন-অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন বলছে, এ ধরনের কঠোর শর্ত বৈধ ভ্রমণকারীদের নিরুৎসাহিত করবে এবং সাধারণ মানুষের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠবে।

মানবাধিকারকর্মীদের অভিযোগ, ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও আইনি অধিকারকে প্রভাবিত করছে। তাদের মতে, এতে জাতিগত সংখ্যালঘুদের জন্য অনিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে এবং বৈষম্যমূলক আচরণ উৎসাহিত হচ্ছে।

তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করতেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, এই নীতির মূল লক্ষ্য অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ করা।

সমালোচকদের মতে, নতুন এই নীতির ফলে শুধু অবৈধ নয়, বৈধ অভিবাসনের পথও আরও জটিল হয়ে উঠছে। পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে।

নতুন ভিসা বন্ড কর্মসূচির আওতায় থাকা ৫০টি দেশের মধ্যে ৩০টিই আফ্রিকার। এছাড়া এশিয়া, ক্যারিবীয় অঞ্চল, ইউরোপ, ওশেনিয়া ও লাতিন আমেরিকার আরও ২০টি দেশ এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এশিয়ার তালিকাভুক্ত দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভুটান, কম্বোডিয়া, কিরগিজস্তান, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান।