শিরোনাম
সিলেটে হাম পরিস্থিতির অবনতি: ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ১৫৪, মৃ/ত্যু আরও ২ নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সিএনজির দৌরাত্ম্য, বাড়ছে দুর্ঘ.টনার ঝুঁকি সিলেটসহ দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে পল্লব, কারা/গারে প্রেরণ সিলেটে মৃ/ত্যুহীন দিনে হাম উপসর্গে ভর্তি ১৩৮ জন প্রবাসীদের বিমান ভাড়া নিয়ে সুখবর, কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত সিলেটে টাকা ফেরত চাওয়ায় ভাইয়ের হাতে বোন খু/ন সিলেটে যে সময়ে ঘটবে ভয়াবহ লোডশেডিং সিলেটে ২৯ জন গ্রেফ/তার: প্রায় ২শ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

https://www.emjanews.com/

18248

national

প্রকাশিত

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:২৬

জাতীয়

নববধূর ভিডিও বার্তা, ‘আমি অপহৃত হইনি’

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:২৬

ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ। নববধূকে নিয়ে বরযাত্রী ছুটছে শ্বশুরবাড়ির পথে। হঠাৎ পথ আটকাল একদল যুবক। গাড়ি থামল, তৈরি হলো হইচই, আর গাড়ি থেকে নববধূকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে শুরু হলো তোলপাড়।

এরপরই যেন সিনেমার গল্পে এলো টুইস্ট!

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বরের গাড়ি থেকে নববধূ তামান্না আক্তারকে ‘অপহরণের’ ঘটনায় যখন চারদিকে আলোচনা, তখন নিজের ফেসবুক ভিডিও বার্তায় তামান্নাই জানালেন; “অপহরণ না, আমি নিজের ইচ্ছাতেই গেছি!”

সোমবার রাতে দেওয়া ওই ভিডিও বার্তার পর ঘটনাটি যেন নতুন হিসাবের খাতায় ঢুকে গেছে। এতক্ষণ যেখানে প্রশ্ন ছিল-‘নববধূকে কে নিয়ে গেল?’ এখন প্রশ্ন-‘নববধূ গেলেন কার সঙ্গে, আর গেলেন কেন?’

জানা গেছে, তামান্নার সঙ্গে আতিকুর রহমান মিয়াদের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবার সেই সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় দুজন একসঙ্গে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে তামান্নার দাবি।

তবে ঘটনার শুরুটা ছিল বেশ নাটকীয়। রোববার রাতে জিনারী ইউনিয়নের হাজিপুর বাজার এলাকায় ২০ থেকে ২৫ জন যুবক বরের মাইক্রোবাসের গতিরোধ করেন বলে অভিযোগ। গাড়ি ভাঙচুরের পর নববধূকে নামিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে।

বরযাত্রীদের তখন স্বাভাবিকভাবেই ‘বিয়ে বাড়ির আনন্দ’ থেকে ‘বিপদে পড়া বরযাত্রী’ মোডে চলে যেতে হয়।

এর মধ্যে সামনে আসে আরেক তথ্য-অভিযুক্ত আতিকুর রহমান মিয়াদ ছাত্রদলের কর্মী। ঘটনার পর নিজের ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘জীবনে আর কিছু চাওয়ার নাই..!’

এই এক লাইনের স্ট্যাটাসও যেন পুরো ঘটনার রহস্য আরও ঘনীভূত করেছে।

তবে পুলিশ এখনো ঘটনাটিকে হালকাভাবে দেখছে না। হোসেনপুর থানায় লিখিত অভিযোগ হয়েছে। পুলিশ বলছে, কারা নববধূকে নিয়ে গেছে এবং কীভাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে তামান্নার ভিডিও বার্তার পর ‘অপহরণ’ নাকি ‘স্বেচ্ছায় চলে যাওয়া’-এই দুই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সবাই।

সব মিলিয়ে, বিয়ের পর যেখানে সাধারণত নতুন সংসারের গল্প শুরু হওয়ার কথা, সেখানে এই নবদম্পতির গল্প শুরু হয়েছে পুলিশ, অভিযোগ, ফেসবুক ভিডিও আর একগুচ্ছ রহস্য দিয়ে।

এখন তদন্তেই মিলবে আসল উত্তর-এটি অপহরণ, নাকি প্রেমের পালানো?