শিরোনাম
বালু লুট ঠেকাতে সুনামগঞ্জের ধোপাজানে পুলিশের সিসি ক্যামেরা! সনাতন পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলনের অনুমতি মিললেও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাবে! দোয়ারাবাজারে গরু চুরির অভিযোগে তিনজনকে নির্যাতন, চুন ঢালা হলো চোখে শনিবার সিলেটের অর্ধশতাধিক এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না ড. ইউনুসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে সিলেটে বেসামাল হাম, ২৫ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফায় টিকা ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে চতুর্থ দিনের অবস্থান কর্মসূচি চলছে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাজ শেষ হবে ২০২৯ সালে প্রতি রাতে ‘হুজুরের কক্ষে’ যেতে বাধ্য দুই শিশু, সিলেটে গ্রেপ্তার মাদ্রাসা শিক্ষক

https://www.emjanews.com/

18572

politics

প্রকাশিত

১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:০৯

আপডেট

১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:১৫

রাজনীতি

​​​​​​​ব্রিক্‌স সম্মেলনে যোগ দিতে সাত বছর পর ভারতে জিনপিং

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:০৯

ছবি: সংগৃহীত

ব্রিক্‌স সম্মেলনে যোগ দিতে প্রায় সাত বছর পর ভারতে আসছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ১৮তম ব্রিক্‌স শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন তিনি। সম্মেলনের প্রথম দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে জিনপিংয়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে পারে বলে একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার জিনপিংয়ের ভারত সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে ১২ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ব্রিক্‌স সম্মেলনে অংশ নেবেন চীনা প্রেসিডেন্ট। তবে মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি বেইজিং।

২০১৯ সালের অক্টোবরে শেষবার ভারত সফর করেছিলেন জিনপিং। এর পর ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চীনা সেনাদের সংঘর্ষে দুই দেশের সম্পর্কে বড় ধরনের অবনতি ঘটে। ওই সংঘর্ষে ২০ ভারতীয় সেনা নিহত হন। চীন চার সেনার মৃত্যুর কথা স্বীকার করলেও বিভিন্ন সূত্রে দেশটির আরও বেশি সেনা নিহত হওয়ার দাবি করা হয়।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা উন্নতির ইঙ্গিত দেখা গেছে। ২০২৪ সালে রাশিয়ার কাজানে মোদী ও জিনপিং বৈঠক করেন। এরপর ২০২৫ সালে চীনে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্মেলনের সময়ও তাদের পার্শ্ববৈঠক হয়।

১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে ব্রিক্‌স সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের সম্মেলনে উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও সুস্থিতি বৃদ্ধির মতো বিষয় গুরুত্ব পাবে। সম্মেলনের ফাঁকে মোদী-জিনপিং বৈঠক হলে সীমান্ত পরিস্থিতিসহ দুই দেশের বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয় আলোচনায় আসতে পারে।