শিরোনাম
তাহিরপুরে তিন সন্তানকে বিষ খাইয়ে হ/ত্যা, হাসপাতালে বাবা সিলেটে চিকিৎসক ছেলের পর এখন মিললো বাবার লা/শ সিলেটের যেসব স্থানে লাগাতে হবে সৌরবিদ্যুৎ: নির্দেশনা জারি একমাস পর শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা আজ সিলেটে আবারও নৌকা বাইচ বন্ধের দাবি ‘তৌহিদী জনতার’ একাদশে ভর্তি: সিলেটের ১০ কলেজে একজনও আবেদন করেনি সুনামগঞ্জে বিস্কুটের প্রলোভনে শিশুকে ধ/র্ষ/ণ, হাসপাতালে ভর্তি সিলেটে দুই মাদরাসা ছাত্র নিখোঁজ: মুক্তিপণ দাবি ও মারধরের অভিযোগ ১৯ মার্চ থেকে শুরু হবে সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সিলেটসহ সারাদেশের বিচার বিভাগে বড় রদবদল

https://www.emjanews.com/

18806

national

প্রকাশিত

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৯:৩৮

জাতীয়

বিদ্যুৎ নিয়ে সিলেটসহ সব জেলা পরিষদকে সরকারের নির্দেশনা

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৯:৩৮

ছবি: সংগৃহীত

সিলেটসহ দেশের প্রতিটি জেলা পরিষদের নিজস্ব স্থাপনায় আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দিয়েছে সরকার। টেকসই জ্বালানি ব্যবহার ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার এই বড়সড় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখা থেকে দেশের সব জেলা পরিষদের প্রশাসক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে এ সংক্রান্ত একটি জরুরি নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, জেলা পরিষদের মূল ভবন, অডিটোরিয়াম, ডাকবাংলো এবং হাট-বাজারসহ সব ধরনের দাপ্তরিক ও আওতাধীন স্থাপনায় বাধ্যতামূলকভাবে এই সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে। প্রতিটি স্থাপনায় অন্তত দুই ঘণ্টার ব্যাটারি ব্যাকআপ রাখার বাধ্যবাধকতাও দেওয়া হয়েছে।

এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য জেলা পরিষদগুলো তাদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অথবা নিজস্ব রাজস্ব তহবিলের অর্থ ব্যবহার করতে পারবে।

সরকারের এই উদ্যোগ কেবল বিদ্যুৎ সাশ্রয়ই নয়, জেলা পরিষদগুলোর জন্য বাড়তি আয়ের পথও উন্মোচন করবে। নেট মিটারিং পদ্ধতি ব্যবহার করে স্থাপনার চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে। ২০২৫ সালের নেট মিটারিং নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতি ইউনিট গ্রিডে সরবরাহের বিনিময়ে জেলা পরিষদগুলো ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে অর্থ পাবে।

আর্থিকভাবে স্বচ্ছল জেলা পরিষদগুলো নিজস্ব অর্থায়নে বাণিজ্যিকভাবে এই প্রকল্প সম্প্রসারণের সুযোগ পাবে।

অন্যদিকে, যে সকল জেলা পরিষদ আর্থিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়, তারা বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় এই রুফটপ সোলার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে সোলার প্যানেল স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পরবর্তী ২০ বছরের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনি চুক্তি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আগামী ৩১ জানুয়ারি ২০২৭-এর মধ্যে এই পুরো কার্যক্রম সম্পন্ন করে জেলা পরিষদগুলোকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী মডেলে রূপান্তরের চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।