https://www.emjanews.com/

13874

national

প্রকাশিত

১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০৭:০৮

আপডেট

১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৪:৩২

জাতীয়

সিলেটের মুক্তাদির আরিফ পাচ্ছেন গুরুত্বপূর্ন দুই মন্ত্রণালয়

প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০৭:০৮

ছবি: সংগৃহিত।

সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার একটি তালিকা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। দলীয় ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, অভিজ্ঞ ও মেধাবী নেতাদের সমন্বয়ে এই সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও রাখবেন।

রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। স্পিকার হিসেবে আলোচনায় রয়েছে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন অথবা নিতাই রায় চৌধুরীর নাম।

গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোর সম্ভাব্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকতে পারেন সালাউদ্দিন আহমেদ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ে ড. রেজা কিবরিয়া। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আলোচনায় রয়েছেন এএনএম এহসানুল হক মিলন, আর তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্ভাব্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে নাম এসেছে আন্দালিব রহমান পার্থ। শিল্প মন্ত্রণালয়ে থাকতে পারেন আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে মির্জা আব্বাস। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সম্ভাব্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

সিলেটের দুই নেতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বিশেষভাবে আলোচনায় রয়েছে সিলেট অঞ্চলের দুই নেতা। স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন ‘সিলেটের ম্যাজিক ম্যান’ হিসেবে পরিচিত আরিফুল হক চৌধুরী। তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা ও স্থানীয় রাজনীতিতে প্রভাবের কারণে এ দায়িত্বকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, সিলেটের আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে জানা গেছে। দেশের আমদানি-রপ্তানি ও বাণিজ্য নীতিনির্ধারণে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অভিজ্ঞ ও পরিচিত মুখদের অগ্রাধিকার দিয়ে সম্ভাব্য এই মন্ত্রিসভা সাজানো হয়েছে। এতে দলীয় ভারসাম্য, সাংগঠনিক শক্তি এবং আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্ব, বিশেষ করে সিলেটের উপস্থিতি—প্রাধান্য পেয়েছে।

এক নজরে সম্ভাব্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্তরা রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী

১। প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় – তারেক রহমান

২। স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন – মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর   প্রতিমন্ত্রী – আরিফুল হক চৌধুরী

৩। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় – সালাউদ্দিন আহমেদ   প্রতিমন্ত্রী – শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি

৪। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় – আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী   প্রতিমন্ত্রী – ড. হুমায়ুন কবির

৫। অর্থ মন্ত্রণালয় – ড. রেজা কিবরিয়া

৬। শিক্ষা মন্ত্রণালয় – এএনএম এহসানুল হক মিলন   প্রতিমন্ত্রী – সাঈদ আল নোমান

৭। আইন মন্ত্রণালয় – সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো: আসাদুজ্জামান

৮। তথ্য মন্ত্রণালয় – আন্দালিব রহমান পার্থ   প্রতিমন্ত্রী – ড. মাহদী আমিন

৯। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় – ড. আব্দুল মঈন খান

১০। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় – খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

১১। শিল্প মন্ত্রণালয় – আবদুল আউয়াল মিন্টু

১২। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় – মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ

১৩। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় – নজরুল ইসলাম খান

১৪। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় – আসাদুল হাবিব দুলু

১৫। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় – ফজলুর রহমান

১৬। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় – আমান উল্লাহ আমান

১৭। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় – জোনায়েদ সাকি

১৮। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় – ডা: এ জেড এম জাহিদ

১৯। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় – আলি আজগর লবি

২০। ধর্ম মন্ত্রণালয় – শামীম কায়সার লিংকন

২১। বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় – আলতাফ হোসেন চৌধুরী

২২। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় – ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

২৩। কৃষি মন্ত্রণালয় – শামসুজ্জামান দুদু

২৪। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় – মির্জা আব্বাস

২৫। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় – নুরুল হক নূর

২৬। রেলপথ মন্ত্রণালয় – গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

২৭। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় – ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ

২৮। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় – রুহুল কবির রিজভী

২৯। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় – দীপেন দেওয়ান