https://www.emjanews.com/

13887

sylhet

প্রকাশিত

১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৯:২১

সিলেট

আলোচনায় ছিলেন, মন্ত্রীসভায় নেই

প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৯:২১

ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান-এর নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বলে সিলেট অঞ্চলের যে দুই নেতার নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল, শেষ পর্যন্ত তাদের কেউই মন্ত্রী হতে পারেননি।

আলোচিত এই দুই নেতা হলেন- হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়া এবং বিএনপির পররাষ্ট্রবিষয়ক যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির।

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এস এম কিবরিয়ার ছেলে ড. রেজা কিবরিয়াকে নতুন সরকারের অর্থমন্ত্রী করা হতে পারে-এমন আলোচনা দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল। এমনকি তার নির্বাচনী প্রচারণার সময়ও বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়। তবে মঙ্গলবার শপথ নেওয়া নতুন মন্ত্রিসভায় এই অর্থনীতিবিদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

নতুন মন্ত্রিসভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অন্যদিকে, নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবিরের নামও জোরালোভাবে আলোচনায় ছিল। তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত এই নেতাকেও শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় রাখা হয়নি।

হুমায়ুন কবির সিলেট-২ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। পরে ওই আসনে বিএনপির মনোনয়ন পান তাহসীনা রুশদীর লুনা এবং হুমায়ুন কবিরকে দেওয়া হয় দলের পররাষ্ট্রবিষয়ক যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব। যুক্তরাজ্যপ্রবাসী এই নেতা টেকনোক্র্যাট কোটায় নতুন মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন বলেও গুঞ্জন ছিল। তবে মঙ্গলবার শপথ নেওয়া মন্ত্রিসভায় তার নাম দেখা যায়নি।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।

তবে আলোচিত দুই নেতার জায়গা না হলেও সিলেট অঞ্চল থেকে দুজন সংসদ সদস্য নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। তারা হলেন- সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর এবং সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য আরিফুল হক চৌধুরী।

উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেটে ভূমিধস বিজয় অর্জন করে বিএনপি। বিভাগের ১৯টি আসনের মধ্যে ১৮টিতেই জয় পান বিএনপির প্রার্থীরা। তবে বিপুল এই বিজয়ের পরও সিলেট বিভাগ থেকে মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।