শিরোনাম
সিলেটের সাত এলাকাকে ‘পরিবেশগত সংকটপূর্ণ’ ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু সিলেটে পরিবহণ শ্রমিকদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বজ্রপাতে সিলেট বিভাগে ৫ জনসহ সারাদেশে ৯ জনের মৃত্যু রূপপুরে ইতিহাসের সূচনা: প্রথম ইউনিটে ইউরেনিয়াম লোডিং মঙ্গলবার সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ, সিলেটের নেত্রীদেরও স্থান জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় সিলেট ওসমানীসহ ৮ বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী সিলেটে চেকপোস্ট বসিয়ে ২ জনকে ধরলো পুলিশ: সাথে মিললো যা ওসমানী বিমানবন্দরে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা: হা/ম/লার আশঙ্কা সিলেটে হাম উপসর্গ নিয়ে আজও আরেক শিশুর মৃ/ত্যু

https://www.emjanews.com/

15279

economics

প্রকাশিত

২৭ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৩৪

অর্থনীতি

রূপপুরে ইতিহাসের সূচনা: প্রথম ইউনিটে ইউরেনিয়াম লোডিং মঙ্গলবার

প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৩৪

ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ এক দশকের অবকাঠামো নির্মাণ ও জটিল কারিগরি সক্ষমতা অর্জনের পর অবশেষে পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ। দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুরের প্রথম ইউনিটে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) শুরু হচ্ছে জ্বালানি ইউরেনিয়াম লোডিং কার্যক্রম।

করোনা মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসহ নানা বৈশ্বিক সংকট অতিক্রম করে এই ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে। এর আগে গত ১৬ এপ্রিল পরমাণু চুল্লিতে জ্বালানি প্রবেশের জন্য কমিশনিং লাইসেন্স পাওয়া যায়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সব প্রস্তুতি শেষে মঙ্গলবার বিকেলে প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং শুরু হবে। সময় স্বল্পতার কারণে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট উপস্থিত থাকতে না পারলেও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং রাশিয়ার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও কারিগরি মানদণ্ড পূরণের কারণে এর আগে কয়েক দফা সময় নির্ধারণ করেও জ্বালানি লোডিং সম্ভব হয়নি। তবে এবার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এ কার্যক্রমে অংশ নিতে ৫৯ জন বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞ ইতোমধ্যে অপারেটিং লাইসেন্স পেয়েছেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন জানান, প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হতে প্রায় ৪৫ দিন সময় লাগবে। আগামী জুলাইয়ের শেষ অথবা আগস্টের শুরুতে এই ইউনিট থেকে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার আশা করা হচ্ছে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ বা আগামী বছরের শুরুতে পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন শুরু হলে প্রথম ইউনিট থেকেই ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।

পদ্মা নদীর তীরে পাবনার ঈশ্বরদীতে ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পে রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা নেওয়া হয়েছে। এখানে দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিয়্যাক্টর স্থাপন করা হয়েছে। দুটি ইউনিট পূর্ণ উৎপাদনে গেলে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে, যা দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ১০ শতাংশের বেশি পূরণ করবে।