শিরোনাম
সিলেটের সাত এলাকাকে ‘পরিবেশগত সংকটপূর্ণ’ ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু সিলেটে পরিবহণ শ্রমিকদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বজ্রপাতে সিলেট বিভাগে ৫ জনসহ সারাদেশে ৯ জনের মৃত্যু রূপপুরে ইতিহাসের সূচনা: প্রথম ইউনিটে ইউরেনিয়াম লোডিং মঙ্গলবার সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ, সিলেটের নেত্রীদেরও স্থান জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় সিলেট ওসমানীসহ ৮ বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী সিলেটে চেকপোস্ট বসিয়ে ২ জনকে ধরলো পুলিশ: সাথে মিললো যা ওসমানী বিমানবন্দরে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা: হা/ম/লার আশঙ্কা সিলেটে হাম উপসর্গ নিয়ে আজও আরেক শিশুর মৃ/ত্যু

https://www.emjanews.com/

15282

national

প্রকাশিত

২৭ এপ্রিল ২০২৬ ২১:০১

জাতীয়

বজ্রপাতে সিলেট বিভাগে ৫ জনসহ সারাদেশে ৯ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ২১:০১

ছবি: সংগৃহীত

সিলেট বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে একদিনে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও নোয়াখালীতে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এছাড়া কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় প্রশাসন ও প্রতিনিধিদের প্রতিবেদনে জানা গেছে।

সুনামগঞ্জে সদর ও জামালগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হাওরে ধান কাটা ও দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত ছিলেন।

এছাড়া শান্তিগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল সূত্র মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এদিকে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ ও বানিয়াচং উপজেলায় পৃথক ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। কৃষকরা হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে মারা যান। একই ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে তারা খোলা মাঠে অবস্থান করছিলেন।

এছাড়া নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে পৃথক ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন কৃষক, একজন ধান ব্যবসায়ী এবং একজন মাছ শিকারি। তারা হাওর ও নদী এলাকায় কাজ করার সময় বজ্রপাতে প্রাণ হারান।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ধনু নদ ও আশপাশের হাওর এলাকায় হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টির সময় এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে।

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় বজ্রপাতে আরাফাত (২৩) নামে এক চা দোকানির মৃত্যু হয়েছে। তিনি বাড়ির পাশে কাজ শেষে ফেরার পথে বজ্রাঘাতে মারা যান।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, কালবৈশাখী ঝড়ের সময় তিনি খোলা জায়গায় থাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা বলছেন, বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতের ঝুঁকি বেশি থাকে। এ সময় খোলা মাঠ, হাওর ও নদীপাড়ে অবস্থান এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাওর অঞ্চলে বজ্রপাতের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি হওয়ায় কৃষি কাজের সময় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।