https://www.emjanews.com/

16986

sylhet

প্রকাশিত

০৯ জুলাই ২০২৬ ১২:০৩

আপডেট

০৯ জুলাই ২০২৬ ১৬:২০

সিলেট

এমসি কলেজে গণ/ধ/র্ষ/ণ মামলার রায় ১৪ জুলাই

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬ ১২:০৩

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে দেশব্যাপী আলোচিত তরুণী গণধর্ষণ মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বুধবার (৮ জুন) সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালতের বিচারক স্বপন কুমার সরকার আগামী ১৪ জুলাই আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন।

সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর আজ যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হলো। আগামী ১৪ জুলাই রায় প্রদানের মাধ্যমে এই লোমহর্ষক ঘটনার বিচারিক নিষ্পত্তি হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে কারাগারে থাকা এই মামলার আসামিরা হলেন, সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল এবং মাহফুজুর রহমান। তারা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেন। ঘটনার পর গোয়েন্দা তৎপরতায় তিন দিনের মধ্যে সকল আসামীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ও র‍্যাব। আসামিরা পরবর্তীতে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন এবং ডিএনএ পরীক্ষায় ছয় আসামির সরাসরি সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়।

মামলাটি গত বছরের মে মাসে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে দ্রুততম বিচারে জনস্বার্থে স্থানান্তরিত হয়। বিচারকালীন সময়ে গৃহবধূ, চিকিৎসক ও পুলিশ কর্মকর্তাসহ মোট ২৪ জন সাক্ষী আদালতে তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে অভিযোগপত্র দাখিলের পর প্রায় আড়াই বছর পর দেশ কাঁপানো এই ঘটনার চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে সিলেটের সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহল।