শিরোনাম
ড. ইউনুসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে সিলেটে বেসামাল হাম, ২৫ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফায় টিকা ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে চতুর্থ দিনের অবস্থান কর্মসূচি চলছে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাজ শেষ হবে ২০২৯ সালে প্রতি রাতে ‘হুজুরের কক্ষে’ যেতে বাধ্য দুই শিশু, সিলেটে গ্রেপ্তার মাদ্রাসা শিক্ষক ভারতে কয়লা খনিতে সিলেটের যুবকের মৃ/ত্যু সুনামগঞ্জের ৩ যুবককে কাশ্মীরে পাচার, দফায় দফায় মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ সালমান শাহ হ/ত্যা: ডনের আচরণে মিলেছে ‘সংশ্লিষ্টতার আভাস’ সিকৃবির উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের প্রতিবাদ

https://www.emjanews.com/

18397

law-justice

প্রকাশিত

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৯:২৫

আইন আদালত

সুনামগঞ্জে ফের ৩ স্লিপার কোচকে জরিমানা

প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৯:২৫

ছবি: সংগৃহীত

সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে অনুমোদনহীন স্লিপার কোচগুলোর বেপরোয়া চলাচল কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। প্রশাসনের একের পর এক কঠোর হুঁশিয়ারি এবং জরিমানাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাত্রী পরিবহন অব্যাহত রেখেছে বাস মালিক ও চালকরা। সর্বশেষ শনিবার রাতে সুনামগঞ্জের মল্লিকপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনটি শীর্ষস্থানীয় স্লিপার কোচ কর্তৃপক্ষকে প্রায় এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত সুনামগঞ্জের মল্লিকপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে রুট পারমিট ও প্রয়োজনীয় অনুমোদনহীন স্লিপার কোচ পরিচালনার দায়ে বেঙ্গল পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন এবং ইম্পেরিয়াল পরিবহনের মালিক পক্ষকে ৩০ হাজার টাকা করে মোট ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এর আগেও সিলেটের কদমতলী ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে এসব পরিবহন সংস্থাকে একাধিকবার জরিমানা ও সতর্ক করা হয়েছিল। তবে প্রশাসনের তৎপরতাকে উপেক্ষা করেই তারা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় পরিবহন শ্রমিকদের একাংশের মতে, শুধু অর্থদণ্ড দিয়ে এই নৈরাজ্য বন্ধ করা সম্ভব নয়। স্থায়ীভাবে এই বাসগুলো রাস্তা থেকে অপসারণ করা না হলে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সিলেটের ওসমানীনগরের কাশিকাঁপন এলাকায় এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ৯ জন প্রাণ হারান, যার সিংহভাগই ছিলেন বেঙ্গল পরিবহনের স্লিপার বাসের যাত্রী। মূলত এরপর থেকেই এসব অনুমোদনহীন ও ঝুঁকিপূর্ণ বাসের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ছোটখাটো সংঘর্ষেও এসব বিশেষায়িত বাসে বড় ধরনের প্রাণহানির ঝুঁকি থাকায় সাধারণ যাত্রীদের মাঝেও আতঙ্ক বিরাজ করছে।