ছবি: পিআইডি, সিলেট।
ডিজিটাল যুগে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপতথ্য প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া সরকারি চিঠিসহ বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে। এসব অপতথ্য ঠেকাতে তথ্য যাচাইয়ের সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সিলেটে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
‘ডিজিটাল যুগে সঠিক তথ্য নিশ্চিতকরণ: অপতথ্য রোধে তথ্য অধিকারের ভূমিকা’ প্রতিপাদ্যে সারাদেশের মতো সিলেটেও দিবসটি উদযাপন করা হয়।
জেলা প্রশাসক বলেন, ভুল তথ্য অনিচ্ছাকৃতভাবে ছড়িয়ে পড়াকে মিসইনফরমেশন এবং কাউকে বিভ্রান্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোকে ডিসইনফরমেশন বলা হয়।
তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি ভুয়া সরকারি চিঠিসহ বিভিন্ন ধরনের ‘ফ্যাব্রিকেটেড ইনফরমেশন’ ছড়ানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তাই কোনো তথ্য বিশ্বাস বা প্রচারের আগে তা যাচাই করার সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।
আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, শুধু তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ জানলেই হবে না; সরকারি তথ্য প্রকাশ ও গোপনীয়তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন সম্পর্কেও সংশ্লিষ্টদের ধারণা থাকা প্রয়োজন।
এ ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এবং Official Secrets Act, 1923-এর বিধানগুলো পারস্পরিকভাবে পর্যালোচনা করে তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনটি প্রযোজ্য, তা স্পষ্টভাবে বোঝার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট নিয়মিত হালনাগাদ এবং প্রয়োজনীয় যোগাযোগের তথ্য সহজে দৃশ্যমান রাখার আহ্বান জানান জেলা প্রশাসক।
তিনি বলেন, সহজে ও নির্ভরযোগ্যভাবে তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হলে গুজব ও অপতথ্যের বিস্তারও অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
