শিরোনাম
রাষ্ট্র সবার, অধিকার সবার: জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী দ্বৈত নাগরিকদের জন্য নতুন নিয়ম করলো যুক্তরাজ্য রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষন দেবেন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমঙ্গলে রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা আকাশে রমজানের চাঁদ, বৃহস্পতিবার থেকে রোজা সেহরি-ইফতার ও তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিতের নির্দেশ ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সিসিক বলছে মুরগি ১৭০, বাজারে ১৮৫: ইমজা নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর অভিযান সিলেটে রমজানের আগে লাগামহীন দ্রব্যমূল্য: সিসিকের মূল্য তালিকাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি, কে কোন দায়িত্বে

https://www.emjanews.com/

13913

surplus

প্রকাশিত

১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২০:৪৮

অন্যান্য

দ্বৈত নাগরিকদের জন্য নতুন নিয়ম করলো যুক্তরাজ্য

নতুন প্রবেশনীতি ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর

প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২০:৪৮

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত অসংখ্য দ্বৈত নাগরিক হঠাৎ করে ব্রিটিশ পাসপোর্ট সংগ্রহ বা নবায়নের উদ্যোগ নিচ্ছেন। কারণ, ব্রিটিশ সরকার একাধিক নাগরিকত্বধারীদের জন্য প্রবেশসংক্রান্ত বিধিনিষেধ আরও কঠোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নিয়ম আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, যেসব ব্রিটিশ নাগরিকের অন্য দেশের নাগরিকত্বও রয়েছে, তারা আর সেই বিদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবেন না। আগে ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুবিধা থাকলেও সেটিও আর প্রযোজ্য হবে না। এখন থেকে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের ক্ষেত্রে তাদের যথাযথ কাগজপত্রের মাধ্যমে নিজেদের অধিকার প্রমাণ করতে হবে।

এ পর্যন্ত অনেক দ্বৈত নাগরিক বিদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করেই ব্রিটিশ পাসপোর্ট ছাড়াই দেশে ফিরতেন। বিদেশে বসবাসকারীর মধ্যে অনেকে নিয়মিতভাবে ব্রিটিশ পাসপোর্ট নবায়ন করতেন না, কেউ কেউ কখনো আবেদনই করেননি। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করতে হলে বৈধ ব্রিটিশ পাসপোর্ট, বৈধ আইরিশ পাসপোর্ট বা বিদেশি পাসপোর্টে যুক্ত ‘রাইট অব অ্যাবোড’ সনদ দেখাতে হবে।

নথিপত্র সংগ্রহে ইতিমধ্যেই তৎপরতা বেড়েছে। প্রথমবার ব্রিটিশ পাসপোর্ট পেতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে এবং ফি প্রায় ৯৪.৫০ পাউন্ড। অন্যদিকে ‘রাইট অব অ্যাবোড’ সনদ নিতে খরচ পড়বে প্রায় ৫৮৯ পাউন্ড। সনদটি পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে পুনরায় নিতে হয়।

সমালোচকরা বলছেন, নতুন নিয়মের যথাযথ প্রচার না থাকায় অনেক পরিবার বিপাকে পড়েছেন। বিশেষ করে বিদেশে জন্ম নেওয়া শিশুদের পরিবার আর্থিক ও প্রশাসনিক চাপের মুখে পড়ছেন।

ব্রিটিশ সরকার দাবি করেছে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা, অভিবাসন সংক্রান্ত তথ্যের নির্ভুলতা বৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করা হবে।