ছবি: আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর পাল্টা আক্রমণে নেমেছে তেহরান। দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে জবাব দিচ্ছে ইরান। তবে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।
এ সময় একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-এর কার্যালয়ের কাছাকাছি এলাকায় আঘাত হানে। এরপর থেকেই ইসরাইলি কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রচার হতে থাকে যে, সম্ভবত খামেনি নিহত হয়েছেন।
তবে এসব খবরকে ভুয়া প্রমাণ করতে শিগগিরই টেলিভিশনের পর্দায় আসছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম আল-আলম টেলিভিশন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি খুব শিগগিরই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। এটি কয়েক মিনিটের মধ্যেও সম্প্রচার হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে শনিবার ভোরে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরান-এর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। জবাবে ইরান ইসরাইলি ভূখণ্ড ও মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে।
বিশ্লেষকদের মতে, খামেনির ভাষণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করবে, কারণ এর মাধ্যমে ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক অবস্থান স্পষ্ট হবে এবং চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশটির পরবর্তী পদক্ষেপের ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে।
